LIKE WORKING — বিদেশি কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম | এসএ গ্রুপ

বিদেশি কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রাম

LIKE WORKING

কর্মীর সংখ্যা যখন কমে আসছে, ঠিক তখনই আমরা প্রত্যেকের পাশে আলাদাভাবে দাঁড়াই।
জাপানে কাজ করা নিজেকে যেন আপনি ভালোবাসতে পারেন — এটাই এসএ গ্রুপের উদ্যোগ।

“লোকের অভাব।” “তরুণেরা সহজে আসতে চায় না।”
লজিস্টিকস খাতে এমন কথা আমরা বহু বছর ধরেই শুনে আসছি।
২০২৪ সালে ট্রাকচালকদের কাজের সময় নিয়ে নতুন নিয়ম চালু হয়েছে,
ফলে প্রত্যেক কর্মীর গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে।
এই প্রেক্ষাপটে এসএ গ্রুপ নতুন একটি পথ হিসেবে বিদেশি কর্মীদের সঙ্গে একসাথে এগিয়ে চলার ব্যবস্থা গড়ে তুলছে।

“জাপানে কাজ করা” হোক আপনার আত্মবিশ্বাস,
গর্বের সঙ্গে জীবনের পথে এগিয়ে চলুন।

বিদেশ থেকে আসা সহকর্মীদের আমরা শুধু “শ্রমশক্তি” হিসেবে গ্রহণ করতে চাই না।
লাইসেন্স অর্জন, জাপানি ভাষা শেখা, সহকর্মীদের সঙ্গে একে অপরের পাশে থেকে ধাপে ধাপে একজন দক্ষ পেশাদার হয়ে ওঠা —
“জাপানে কাজ করতে এসে সত্যিই ভালো হয়েছে” — এ কথা যেন সবাই গর্বের সঙ্গে বলতে পারেন।
এটাই আমাদের আশা।
জাপানে নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়া প্রত্যেক বিদেশি কর্মীর পাশে এসএ গ্রুপ সবসময় আছে।

প্রেসিডেন্টের বার্তা

“প্রকৃত অর্থে কাউকেই ‘বিশেষ’ হিসেবে আলাদা করি না।
জাপানি প্রতিষ্ঠানে কাজ করার আসল তৃপ্তিটুকুও পৌঁছে দিতে চাই।”

কাজ নিয়ে মূল্যবোধ দেশভেদে ভিন্ন। কেউ পরিবারের জীবিকার জন্য কাজ করেন, কেউ কাজকে শুধু উপার্জনের মাধ্যম মনে করেন, আবার কেউ সবার চেয়ে বেশি আয় করে সচ্ছল হতে চান। এসব মূল্যবোধের কোনোটিকেই অস্বীকার করা যায় না।
তবে জাপানে কাজের অর্থ শুধু উপার্জনের চেয়েও বেশি — সমাজের উপকারে আসা এবং কাজের মধ্যে তৃপ্তি খুঁজে পাওয়াও এর অংশ বলে আমরা মনে করি।

শুধু গাড়ি চালানোর দক্ষতা বা কাজের পদ্ধতি শেখানোতেই থেমে না থেকে, এই মূল্যবোধ ভাগ করে নিয়ে আমরা চাই সবাই জাপানে কাজ করাকে আরও বেশি ভালোবাসুক।

সাহস নিয়ে বহু দূর থেকে জাপানে কাজ করতে আসা বিদেশি কর্মীদের কাছেও এই ভাবনা ও চিন্তাগুলো পৌঁছে দেওয়া উচিত — এটাই এসএ গ্রুপের মৌলিক দৃষ্টিভঙ্গি।

জাপানি কর্মী হোক বা বিদেশি নাগরিক, আমরা কাউকেই বিশেষভাবে আলাদা করি না। এসএ গ্রুপে কাজ করা, পরিবহন ও লজিস্টিকস খাতে কাজ করা এবং জাপানে কাজ করা — এসব নিয়ে যেন সবাই গর্ব অনুভব করতে পারেন, সেই পথেই আমরা সবাইকে এগিয়ে নিতে চাই।

এসএ গ্রুপের প্রেসিডেন্ট প্রেসিডেন্ট, এসএ গ্রুপ আকিয়োশি সাকানাকা
ফর্কলিফটের সামনে হাসিমুখে এসএ গ্রুপের পাঁচজন কর্মী ট্রাকের চালকের আসনে সিনিয়রের কাছ থেকে নির্দেশনা নিচ্ছেন একজন কর্মী ফর্কলিফটের কাজের বিবরণ একসাথে যাচাই করছেন কর্মীরা সিনিয়রের সঙ্গে ট্রাকের টায়ার পরীক্ষা করছেন একজন কর্মী গুদামের ভেতরে হাসিমুখে হাঁটছেন তিনজন কর্মী কনটেইনার গাড়ির নিচের অংশ পরীক্ষা করছেন একজন কর্মী
LIKE TRAINING !

প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু

বাছাই
১ মাসের প্রশিক্ষণ

লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি

স্পেসিফায়েড স্কিলড ওয়ার্কার মূল্যায়ন পরীক্ষার জন্য ট্রাফিক আইন ও বিশেষায়িত জ্ঞান শিখবেন।

ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে গাড়ি চালানোর দক্ষতা ও মালামাল সামলানোর পদ্ধতি শিখবেন।

জাপানি ভাষা পরীক্ষার প্রস্তুতি

দৈনন্দিন কথোপকথনের মাধ্যমেও জাপানি ভাষা শিখবেন।

শিষ্টাচার প্রশিক্ষণ

গ্রাহকসেবাসহ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় মৌলিক শিষ্টাচার আয়ত্ত করবেন।

সড়ক নিরাপত্তা শিক্ষা

পরিবহন খাতে অপরিহার্য সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে যত্নসহকারে শিখবেন।

দৈনন্দিন জীবনের নিয়ম

জাপানের জীবনে অভ্যস্ত হতে ময়লা ফেলার নিয়ম, হাসপাতালে যাওয়ার উপায় ইত্যাদি শিখবেন।

কাজ শুরু

সিনিয়রদের সঙ্গে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের (OJT) পর স্বাধীনভাবে কাজ শুরু করবেন।ফর্কলিফট অপারেটর, ট্রাকচালক বা ডিসপ্যাচার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ুন

KEEP SUPPORTING !

৬ ধরনের সহায়তা

কাজের দিকনির্দেশনা থেকে দৈনন্দিন জীবনের সাহায্য পর্যন্ত — প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পরও সহায়তা চলতে থাকে।

①লাইসেন্স অর্জন

ড্রাইভিং ও ফর্কলিফট লাইসেন্সের সম্পূর্ণ খরচ কোম্পানি বহন করে।
কোনো আর্থিক দুশ্চিন্তা ছাড়াই
নিশ্চিন্তে শুরু করতে পারবেন।

②কোম্পানির আবাসন

কর্মস্থলের কাছেই কোম্পানির বাসা দেওয়া হয়।
প্রত্যেকের জন্য আলাদা কক্ষ থাকায় ভালোভাবে বিশ্রাম নিয়ে
পূর্ণ প্রস্তুতিতে কাজে আসতে পারবেন।

③দৈনন্দিন জীবনের সহায়তা

অসুস্থ হলে হাসপাতালে সঙ্গে যাওয়া,
এসি নষ্ট হলে মেরামতের ব্যবস্থা করা —
জাপানের জীবনে পরিবারের মতো পাশে থাকি।

④যত্নশীল কাজের প্রশিক্ষণ

অভিজ্ঞতা না থাকলেও যেন নিশ্চিন্তে
ও নিরাপদে কাজ শুরু করতে পারেন,
সেজন্য প্রত্যেকের গতির সঙ্গে মিলিয়ে প্রশিক্ষণ চলতে থাকে।

⑤জাপানি ভাষা শিক্ষা

জাপানি ভাষা দক্ষতা পরীক্ষার (JLPT) জন্য
জাপানি কর্মীরা আপনার সঙ্গে পড়াশোনা করেন।
প্রতিদিনের যোগাযোগের মাধ্যমে
ধাপে ধাপে শিখতে পারবেন।

⑥নানা রকম কোম্পানি ইভেন্ট

বারবিকিউ, সফটবল টুর্নামেন্ট, মাছ ধরা, ওসাকা এক্সপো পরিদর্শনসহ
সহকর্মীদের সঙ্গে মেলামেশার অনেক আয়োজন!
কাজে ও ছুটির দিনে —
দুই সময়েই পরিপূর্ণ জীবন কাটাতে পারবেন।

KEEP GROWING !

এ পর্যন্ত আমাদের অর্জন

২০২৫ সালে কর্মী গ্রহণ শুরুর পর থেকে সহায়তার অভিজ্ঞতা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে, এবং একজন কর্মীও চাকরি ছাড়েননি — সবাই সফলভাবে কাজ করছেন।

মোট গৃহীত কর্মী
9জন

২০২৬ সালে আরও ১৩ জন কর্মী গ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। সহায়তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করে আরও সম্প্রসারণই আমাদের লক্ষ্য।

কর্মীদের দেশের সংখ্যা
6টি দেশ

ফিলিপাইন, চীন, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ভারত ও বাংলাদেশ (গ্রহণের পরিকল্পনাসহ) — নানা অঞ্চলের কর্মীরা এখানে কাজ করছেন।

কর্মী ধরে রাখার হার
100%

দৈনন্দিন জীবনের পাশে থাকা সহায়তা ব্যবস্থার ফলে, এ পর্যন্ত গৃহীত সব কর্মী ১ বছরের বেশি সময় ধরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

※ তথ্য ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত

NICE WORKING !

কর্মীদের কথা

ফর্কলিফটে বসে হাসছেন কার্লো
কার্লো
দেশ:
ফিলিপাইন
যোগদান:
২০২৫
কাজ:
ফর্কলিফট অপারেটর
*শিল্পজাত পণ্যের প্যাকেজিং – কারিগরি শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণার্থী
বর্তমান কাজের কোন দিকটিতে আপনি সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি পান?
দিনের সব কাজ শেষ করে যখন নিশ্চিত হই যে কোনো দুর্ঘটনা বা মালামালের ক্ষতি হয়নি, তখন তৃপ্তি পাই। কঠোর পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন পাওয়াও আমার জন্য বড় অনুপ্রেরণা।
কোন সহায়তাটি আপনার সবচেয়ে ভালো লাগে?
জাপানি ভাষার কোনো শব্দ না বুঝলে সিনিয়ররা শিখিয়ে দেন। যতবারই জিজ্ঞেস করি, প্রতিবারই তাঁরা আন্তরিকভাবে বুঝিয়ে দেন, তাই নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারি।
ভবিষ্যতে কী নিয়ে চ্যালেঞ্জ নিতে চান?
ফর্কলিফট চালানোর দক্ষতা আরও বাড়িয়ে নিজেকে উন্নত করতে চাই। আরও নিরাপদে, মালামালের কোনো ক্ষতি না করে কাজ করতে পারাই আমার লক্ষ্য।
গুদামে আঙুল দিয়ে মালামাল যাচাই করছেন ডেভ
ডেভ
দেশ:
ফিলিপাইন
যোগদান:
২০২৫
কাজ:
ফর্কলিফট অপারেটর
*শিল্পজাত পণ্যের প্যাকেজিং – কারিগরি শিক্ষানবিশ প্রশিক্ষণার্থী
বর্তমান কাজের কোন দিকটিতে আপনি সবচেয়ে বেশি তৃপ্তি পান?
কাজের অভিজ্ঞতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিজের দক্ষতা একটু একটু করে উন্নত হচ্ছে — এতেই তৃপ্তি পাই। নিরাপদে ও কোনো ভুল ছাড়া একটি দিনের কাজ শেষ করতে পারলে খুব আনন্দ লাগে।
কোন সহায়তাটি আপনার সবচেয়ে ভালো লাগে?
কিছু না বুঝলে সিনিয়র ও সুপারভাইজাররা আন্তরিকভাবে শিখিয়ে দেন। সমস্যায় পড়লে সঙ্গে সঙ্গে পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ থাকাটাও আমার কাছে খুব মূল্যবান।
ভবিষ্যতে কী নিয়ে চ্যালেঞ্জ নিতে চান?
কাজের গতি ও নির্ভুলতা এখনকার চেয়ে আরও বাড়াতে চাই। নতুন কাজেও আগ্রহের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ নিয়ে নানা ধরনের দক্ষতা অর্জন করতে চাই।
তৃতীয় পক্ষের স্বীকৃতি
  • কর্মবান্ধব কর্মক্ষেত্র সনদ — দুই তারকা
  • টোকিও মালামাল পরিবহন মূল্যায়ন — দুই তারকা
  • নিরাপত্তায় উৎকৃষ্ট প্রতিষ্ঠান (G মার্ক)

প্রথমে আমাদের কর্মস্থল দেখতে আসুন।

আবেদনের আগে শুধু পরিদর্শনের জন্যও আসতে পারেন। এখানে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি কথাও বলতে পারবেন।

আবেদন / পরিদর্শনের অনুরোধ